০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
মোঃ আমির হোসেন স্টাফরিপোর্টার।

গাজীপুরে মাটি খেকুরদের রাতের অন্ধকারে মাটি চুড়ির তাণ্ডব।

  • প্রকাশিত ১১:০৪:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৫
  • ১৩১ বার দেখা হয়েছে

 

গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর মাজু খান রাস্তা ও বনের জমি রক্ষার প্রয়াসে ক্রমবর্ধমান হুমকির মুখে পড়েছেন।মোরশেদা আক্তার (৩৮) ও তার সামি, মোঃ মহসিন, দখলদারদের একের পর এক আক্রমণে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত।

অবৈধ ভাবে রাস্তা দখলদারদের বিরুদ্ধে নেওয়া প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপগুলো একের পর এক বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, এবং অপরাধীদের আক্রমণাত্মক মনোভাব দিন দিন বেড়েই চলেছে।অবৈধ দখলদারদের হামলার ভয়াবহতা।
সরকারি জমি এবং রাস্তা রক্ষাবাধা দিতে গেলে কিন্তু এলাকাবাসী সহযোগিতা করতে গেলে এক জটিল পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছেন। তাদের সাথে বাদ পড়ছে না সংবাদকর্মীও। অবৈধভাবে দখল হওয়া বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে হেনস্থার শিকার হতে হয় সংবাদ কর্মীদের। এছাড়াও ভূমিদস্যরা মুঠোফোনে বা চিরকুটের মাধ্যমে সংবাদ কর্মীদের হুমকি প্রদান করছে নিয়মিত। ইতোমধ্যে সংবাদকর্মীদের বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করে। প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে রেখেছে এলাকায় প্রবেশ করলে প্রাণহানি ঘটিয়ে ফেলবে। সংবাদ কর্মীদের পাশাপাশি তাদের পরিবার রয়েছে আতঙ্কে। স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারছে না সংবাদ কর্মীদের সন্তানরা।

সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি ভয়াবহ ঘটনার প্রেক্ষিতে জানা যায়, কালিয়াকৈর উপজেলার মাজু খান এলাকায় অবৈধ ভাবে মাটি কেটে সরকারি রাস্তা ভেঙে রাতের অন্ধকারে চুরি করে ড্রাম ট্রাক দিয়ে মাটি নিয়ে গেলে রাস্তা ভেঙে যায় তাই তার প্রতিবাদ করতে গেলে পথিমধ্যে ভূমিদস্যুদের দ্বারা নির্মম আক্রমণের শিকার হন। এই হামলায় দুজন ১ মোরশেদা আক্তার (৩৮)পিতা মোঃ মুসলিম উদ্দিন, ২ /শামী মোহাম্মদ মহসিন , এই দুই জনের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। দুর্বৃত্তরা এলোপাথারি আঘাতের কারণে গুরুতরভাবে আহত হন। মোরশেদা আক্তার ও তার স্বামী মোঃ মহাসিন,মহসিন, বলেন, “আমাদের এলাকার সরকারি জমি এবং সরকারি রাস্তা আমরা প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছি। অবৈধ দখলদারদের আক্রমণ এতটাই নৃশংস যে, আমাদের নিজেদের জীবন রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতিটি হামলা অত্যন্ত সুপরিকল্পিত এবং ভয়াবহ।

“বন বিভাগের জমি এবং সরকারি রাস্তা হুমকির মুখে প্রতি আগ্রাসন এবং দখলের ক্রমবৃদ্ধিসচেতন মহল এবং বিশেষজ্ঞদের মতে, গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার মাঝুখান গ্রামের জমি অবৈধভাবে দখল করার প্রবণতা ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। বিশেষ করে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে, ক্ষমতার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রভাবশালী গোষ্ঠী বন বিভাগের জমি দখল করে আবাসিক ও বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণে লিপ্ত হয়েছে। দিন দিন জমির দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে এবং জনসংখ্যার চাপের ফলে স্থানীয় জনগণের পৈতৃক সম্পত্তি ছোট হয়ে আসছে, যা তাদের বন বিভাগের জমির উপর নির্ভর করতে বাধ্য করছে। ফলে, এই অঞ্চলে বেআইনি স্থাপনা নির্মাণের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

অবৈধ স্থাপনা এবং পরিবেশের উপর এর প্রভাবস্থানীয় সুশীল সমাজের মতে, অবৈধ দখলদাররা শুধু বন বিভাগের জমি দখল করে থেমে থাকছে না, তারা পরিবেশের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। বন উজাড় করে তারা আবাসিক ও বাণিজ্যিক স্থাপনা গড়ে তুলছে, যা স্থানীয় পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্রের জন্য ভয়ানক বিপদ ডেকে আনছে। এছাড়াও, অবৈধ দখলদারদের কারণে বনের মূল্যবান বৃক্ষসম্পদ ধ্বংস হচ্ছে এবং সেই সাথে বন্যপ্রাণীর বাসস্থান হুমকির মুখে পড়েছে।

সুশীল সমাজের উদ্বেগ এবং সরকারের কঠোর অবস্থানের প্রয়োজনস্থানীয় সুশীল সমাজ ও বিশেষজ্ঞরা বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করেন, যদি এভাবে অবৈধ দখলদারদের অপতৎপরতা অব্যাহত থাকে, তাহলে দেশের বনাঞ্চল উজাড় হয়ে যাবে এবং এই অঞ্চল মরুভূমিতে পরিণত হবে। ফলে, দেশীয় জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদি বিরূপ প্রভাব পড়বে।সুশীল সমাজের মতে, পরিবেশের সুরক্ষার জন্য এবং বন বিভাগের জমি রক্ষা করার জন্য সরকারের আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।

তারা আরও মনে করেন, জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই ধ্বংসাত্মক প্রবণতার বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা উচিত।অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের গুরুত্ববন বিভাগের জমি রক্ষা এবং সরকারি রাস্তা রক্ষা এবং এলাকার নিরীহ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এ ধরনের বেআইনি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কোনো স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে, আগামী দিনে এ ধরনের হামলা ও সহিংসতার প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। ফলে, এই মাজু খান এলাকার মানুষগুলোর সাহস জোগাতে হবে তা না হলে অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়বে এবং বন উজাড়ের হারও বেড়ে যেতে পারে।

গাজীপুরের বনাঞ্চল রক্ষাকরতে গিয়ে মোরশেদা আক্তার ও মহসিন যে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছেন, তা কেবল তাদের জন্যই নয়, বরং জাতীয় পরিবেশের জন্যও মারাত্মক হুমকি।এবং অবৈধ দখলদারদের আক্রমণ এবং তাদের কর্মকাণ্ড বন বিভাগের জমি ও রাস্তা রক্ষার্থে মোরশেদা আক্তার ও মহসিন এর উপর বিপর্যয় ডেকে আনছে। এ সমস্যার সমাধানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং স্থানীয় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি করা উচিত ।

শুধু তাই নয় মোরশেদা আক্তার কে এবং মহাসিনকে যারা এলোপাতাড়ি মেরেছে তাদের মধ্যে ১/মোঃ জামাল হোসেন। পিতা-মোঃ সাবু খা, ২/মোঃ কাইয়ুম হোসেন। পিতা-আব্দুল। ৩/শরীফ মিয়া পিতা- আছর উদ্দিন ফকির,সর্ব সাং-মাঝুখান ৪/মোঃ নুরু মিয়া। পিতা- আজিজ।সাং-কৌচাকুড়ি,সর্ব থানা-কালিকৈর,
জেলা-গাজীপুর।আরো অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জন উপস্থিত হয়ে মোরশেদা আক্তার কে এবং মহসিনকে এলোপাথাড়ি দেশি অস্ত্র দিয়ে মেরে নীলা ফোলা করে ফেলে যায়।

Tag :

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

মোঃ আমির হোসেন স্টাফরিপোর্টার।

গাজীপুরে মাটি খেকুরদের রাতের অন্ধকারে মাটি চুড়ির তাণ্ডব।

প্রকাশিত ১১:০৪:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৫

 

গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর মাজু খান রাস্তা ও বনের জমি রক্ষার প্রয়াসে ক্রমবর্ধমান হুমকির মুখে পড়েছেন।মোরশেদা আক্তার (৩৮) ও তার সামি, মোঃ মহসিন, দখলদারদের একের পর এক আক্রমণে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত।

অবৈধ ভাবে রাস্তা দখলদারদের বিরুদ্ধে নেওয়া প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপগুলো একের পর এক বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, এবং অপরাধীদের আক্রমণাত্মক মনোভাব দিন দিন বেড়েই চলেছে।অবৈধ দখলদারদের হামলার ভয়াবহতা।
সরকারি জমি এবং রাস্তা রক্ষাবাধা দিতে গেলে কিন্তু এলাকাবাসী সহযোগিতা করতে গেলে এক জটিল পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছেন। তাদের সাথে বাদ পড়ছে না সংবাদকর্মীও। অবৈধভাবে দখল হওয়া বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে হেনস্থার শিকার হতে হয় সংবাদ কর্মীদের। এছাড়াও ভূমিদস্যরা মুঠোফোনে বা চিরকুটের মাধ্যমে সংবাদ কর্মীদের হুমকি প্রদান করছে নিয়মিত। ইতোমধ্যে সংবাদকর্মীদের বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করে। প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে রেখেছে এলাকায় প্রবেশ করলে প্রাণহানি ঘটিয়ে ফেলবে। সংবাদ কর্মীদের পাশাপাশি তাদের পরিবার রয়েছে আতঙ্কে। স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারছে না সংবাদ কর্মীদের সন্তানরা।

সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি ভয়াবহ ঘটনার প্রেক্ষিতে জানা যায়, কালিয়াকৈর উপজেলার মাজু খান এলাকায় অবৈধ ভাবে মাটি কেটে সরকারি রাস্তা ভেঙে রাতের অন্ধকারে চুরি করে ড্রাম ট্রাক দিয়ে মাটি নিয়ে গেলে রাস্তা ভেঙে যায় তাই তার প্রতিবাদ করতে গেলে পথিমধ্যে ভূমিদস্যুদের দ্বারা নির্মম আক্রমণের শিকার হন। এই হামলায় দুজন ১ মোরশেদা আক্তার (৩৮)পিতা মোঃ মুসলিম উদ্দিন, ২ /শামী মোহাম্মদ মহসিন , এই দুই জনের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। দুর্বৃত্তরা এলোপাথারি আঘাতের কারণে গুরুতরভাবে আহত হন। মোরশেদা আক্তার ও তার স্বামী মোঃ মহাসিন,মহসিন, বলেন, “আমাদের এলাকার সরকারি জমি এবং সরকারি রাস্তা আমরা প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছি। অবৈধ দখলদারদের আক্রমণ এতটাই নৃশংস যে, আমাদের নিজেদের জীবন রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতিটি হামলা অত্যন্ত সুপরিকল্পিত এবং ভয়াবহ।

“বন বিভাগের জমি এবং সরকারি রাস্তা হুমকির মুখে প্রতি আগ্রাসন এবং দখলের ক্রমবৃদ্ধিসচেতন মহল এবং বিশেষজ্ঞদের মতে, গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার মাঝুখান গ্রামের জমি অবৈধভাবে দখল করার প্রবণতা ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। বিশেষ করে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে, ক্ষমতার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রভাবশালী গোষ্ঠী বন বিভাগের জমি দখল করে আবাসিক ও বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণে লিপ্ত হয়েছে। দিন দিন জমির দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে এবং জনসংখ্যার চাপের ফলে স্থানীয় জনগণের পৈতৃক সম্পত্তি ছোট হয়ে আসছে, যা তাদের বন বিভাগের জমির উপর নির্ভর করতে বাধ্য করছে। ফলে, এই অঞ্চলে বেআইনি স্থাপনা নির্মাণের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

অবৈধ স্থাপনা এবং পরিবেশের উপর এর প্রভাবস্থানীয় সুশীল সমাজের মতে, অবৈধ দখলদাররা শুধু বন বিভাগের জমি দখল করে থেমে থাকছে না, তারা পরিবেশের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। বন উজাড় করে তারা আবাসিক ও বাণিজ্যিক স্থাপনা গড়ে তুলছে, যা স্থানীয় পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্রের জন্য ভয়ানক বিপদ ডেকে আনছে। এছাড়াও, অবৈধ দখলদারদের কারণে বনের মূল্যবান বৃক্ষসম্পদ ধ্বংস হচ্ছে এবং সেই সাথে বন্যপ্রাণীর বাসস্থান হুমকির মুখে পড়েছে।

সুশীল সমাজের উদ্বেগ এবং সরকারের কঠোর অবস্থানের প্রয়োজনস্থানীয় সুশীল সমাজ ও বিশেষজ্ঞরা বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করেন, যদি এভাবে অবৈধ দখলদারদের অপতৎপরতা অব্যাহত থাকে, তাহলে দেশের বনাঞ্চল উজাড় হয়ে যাবে এবং এই অঞ্চল মরুভূমিতে পরিণত হবে। ফলে, দেশীয় জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদি বিরূপ প্রভাব পড়বে।সুশীল সমাজের মতে, পরিবেশের সুরক্ষার জন্য এবং বন বিভাগের জমি রক্ষা করার জন্য সরকারের আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।

তারা আরও মনে করেন, জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই ধ্বংসাত্মক প্রবণতার বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা উচিত।অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের গুরুত্ববন বিভাগের জমি রক্ষা এবং সরকারি রাস্তা রক্ষা এবং এলাকার নিরীহ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এ ধরনের বেআইনি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কোনো স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে, আগামী দিনে এ ধরনের হামলা ও সহিংসতার প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। ফলে, এই মাজু খান এলাকার মানুষগুলোর সাহস জোগাতে হবে তা না হলে অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়বে এবং বন উজাড়ের হারও বেড়ে যেতে পারে।

গাজীপুরের বনাঞ্চল রক্ষাকরতে গিয়ে মোরশেদা আক্তার ও মহসিন যে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছেন, তা কেবল তাদের জন্যই নয়, বরং জাতীয় পরিবেশের জন্যও মারাত্মক হুমকি।এবং অবৈধ দখলদারদের আক্রমণ এবং তাদের কর্মকাণ্ড বন বিভাগের জমি ও রাস্তা রক্ষার্থে মোরশেদা আক্তার ও মহসিন এর উপর বিপর্যয় ডেকে আনছে। এ সমস্যার সমাধানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং স্থানীয় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি করা উচিত ।

শুধু তাই নয় মোরশেদা আক্তার কে এবং মহাসিনকে যারা এলোপাতাড়ি মেরেছে তাদের মধ্যে ১/মোঃ জামাল হোসেন। পিতা-মোঃ সাবু খা, ২/মোঃ কাইয়ুম হোসেন। পিতা-আব্দুল। ৩/শরীফ মিয়া পিতা- আছর উদ্দিন ফকির,সর্ব সাং-মাঝুখান ৪/মোঃ নুরু মিয়া। পিতা- আজিজ।সাং-কৌচাকুড়ি,সর্ব থানা-কালিকৈর,
জেলা-গাজীপুর।আরো অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জন উপস্থিত হয়ে মোরশেদা আক্তার কে এবং মহসিনকে এলোপাথাড়ি দেশি অস্ত্র দিয়ে মেরে নীলা ফোলা করে ফেলে যায়।