০৩:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আমীর, ইসলামী সমাজ আল-মায়ামী:

গণতন্ত্রের নির্বাচনের আর দরকার নেই! এবার ইসলাম প্রতিষ্ঠায় সকলে ইসলামী সমাজে শামিল হোন

  • প্রকাশিত ০১:৩৩:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৫ বার দেখা হয়েছে

ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন- গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থা’ই ইসলাম ও মানবতা বিরোধী মতবাদ। গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত সংবিধান আলকুরআন বিরোধী সংবিধান। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত যারাই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছেন তারা সকলেই ইসলাম ও মানবতা বিরোধী ব্যবস্থা ‘গণতন্ত্র’ দিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনা করেছেন। তিনি বলেন, মানুষের সমাজ ও রাষ্ট্রসহ সমগ্র বিশ্ব জগতের একমাত্র রব্ব হলেন সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ্। কিন্তু গণতন্ত্রসহ সকল প্রকার মানব রচিত ব্যবস্থার মাধ্যমে মানুষের সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর পরিবর্তে মানুষকে রব্ব- সার্বভৌমত্বের মালিক গ্রহণ করা হয়, যা মূলতঃ মহান রব্বের সাথে কুফর এবং শির্ক। কুফর এবং শিরকের পরিণতি মানুষের দুনিয়ার জীবনে অকল্যাণ, অশান্তি এবং তাদের আখিরাতের জীবনে চিরস্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত জাহান্নাম। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্ব এবং আলকুরআন বিরোধী মানব রচিত সংবিধানের এবং এরই ধারক-বাহক নেতার আনুগত্য প্রতিষ্ঠিত আছে, যার কারণে মানুষের জীবনে সুশাসন ও ন্যায় বিচার নাই, তাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈষম্য আর বৈষম্য। তাদের ন্যায্য অধিকার আদায় ও সংরক্ষণ হচ্ছে না। সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি সেক্টরে দুর্নীতি এবং দুর্নীতির কারণে সন্ত্রাস, উগ্রতা জঙ্গিতৎপরতাসহ বিভিন্ন ইস্যু কেন্দ্রিক মানবতা বিরোধী অপতৎপরতা মানুষের জীবনকে গ্রাস করেছে। ৩০ আগস্ট, ২০২৫ শনিবার, রাজধানীর উত্তরা আজমপুর বিডিআর বাজার সংলগ্নে ‘ইসলামী সমাজ’ ঢাকা মহানগর উত্তর এর দায়িত্বশীল, মিনহাজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত “আলকুরআন বিরোধী সংবিধান মূলোৎপাটন সমাবেশে” সংগঠনের আমীর সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, উগ্রতা ও জঙ্গিতৎপরতাসহ সকল মানবতা বিরোধী অপরাধ ও বৈষম্যমুক্ত ইনসাফ ভিত্তিক কল্যাণকর সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন করতে হলে গণতন্ত্র এবং আলকুরআন বিরোধী সকল প্রকার সংবিধানের মূলোৎপাটন করে সমাজ ও রাষ্ট্রে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর আইন-বিধান তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠা করতে হবে, এর কোন বিকল্প নাই । তিনি বলেন, গণতন্ত্রের অধীনে নির্বাচন, গণআন্দোলন কিংবা সশস্ত্র লড়াই ইত্যাদি কোনটাই ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা লাভের জন্য কুরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক- আল্লাহর নির্দেশিত এবং তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতি নয়। এসব পদ্ধতির যে কোন পদ্ধতি গ্রহণ করলে আল্লাহর সাথে কুফর এবং শির্ক করা হয়, যার পরিণতি দুনিয়ার জীবনে অকল্যাণ, আশান্তি এবং আখিরাতের জীবনে মহাক্ষতি। গণতন্ত্রের অধীনে জোট, ভোট ও নির্বাচন এবং এসবকে সমর্থন করলে ঈমান ও আমল সবই বিনষ্ট হয়ে যায় একথার উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রের নির্বাচনের মাধ্যমে কখনও ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠিত হবে না, গণন্ত্রের নির্বাচন আর দরকার নেই। গণতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের নির্বাচন ত্যাগ করে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতি ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার সহিহ আন্দোলন ‘ইসলামী সমাজ’ এ শামিল হওয়ার জন্য সকলকে তিনি আহ্বান জানান । সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, দুনিয়ার জীবনে কল্যাণ ও শান্তি এবং আখিরাতের জীবনে মহাক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়ে চূড়ান্ত সফলতা লাভ করতে হলে আলকুরআন বিরোধী সংবিধান পরিত্যাগ করে সমাজ ও রাষ্ট্রসহ জীবনের সকল ক্ষেত্রে ইসলাম গ্রহণ করে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার ঈমানী, নৈতিক ও মানবকি দায়িত্ব পালন করতেই হবে। তিনি বলেন, সকল মানুষের সার্বিক কল্যাণে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) প্রদর্শিত পদ্ধতিতে’ই ‘ইসলামী সমাজ’ ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সকলকে তিনি গণতন্ত্রসহ ইসলাম ও মানবতা বিরোধী সকল ব্যবস্থা ত্যাগ করে সমাজ ও রাষ্ট্রে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠায় আল্লাহরই সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আন্তরিক আহ্বান জানান । ‘ইসলামী সমাজ’ ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-৩ এর দায়িত্বশীল, মোঃ সেলিম মোল্লা’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন- ‘ইসলামী সমাজ’ ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-১ এর দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-২ এর দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইয়াছিন, ময়মনসিংহ বিভাগের দায়িত্বশীল সোলায়মান কবীর, খুলনা বিভাগীয় অঞ্চল-১ এর দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ আলী জিন্নাহ্, রংপুর বিভাগের দায়িত্বশীল সাইফুল ইসলাম মিঠু, ঢাকা মহানগর উত্তর এর সহ:দায়িত্বশীল মোস্তফা জামিল সাদ ও শাহ মোঃ আবু জাফর প্রমুখ ৷

Tag :
জনপ্রিয়

ইসলামী শিক্ষা উন্নয়ন বাংলাদেশ সভাপতি ড. মাহবুব, মহাসচিব ড. হানিফ খান

আমীর, ইসলামী সমাজ আল-মায়ামী:

গণতন্ত্রের নির্বাচনের আর দরকার নেই! এবার ইসলাম প্রতিষ্ঠায় সকলে ইসলামী সমাজে শামিল হোন

প্রকাশিত ০১:৩৩:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন- গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থা’ই ইসলাম ও মানবতা বিরোধী মতবাদ। গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত সংবিধান আলকুরআন বিরোধী সংবিধান। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত যারাই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছেন তারা সকলেই ইসলাম ও মানবতা বিরোধী ব্যবস্থা ‘গণতন্ত্র’ দিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনা করেছেন। তিনি বলেন, মানুষের সমাজ ও রাষ্ট্রসহ সমগ্র বিশ্ব জগতের একমাত্র রব্ব হলেন সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ্। কিন্তু গণতন্ত্রসহ সকল প্রকার মানব রচিত ব্যবস্থার মাধ্যমে মানুষের সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর পরিবর্তে মানুষকে রব্ব- সার্বভৌমত্বের মালিক গ্রহণ করা হয়, যা মূলতঃ মহান রব্বের সাথে কুফর এবং শির্ক। কুফর এবং শিরকের পরিণতি মানুষের দুনিয়ার জীবনে অকল্যাণ, অশান্তি এবং তাদের আখিরাতের জীবনে চিরস্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত জাহান্নাম। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্ব এবং আলকুরআন বিরোধী মানব রচিত সংবিধানের এবং এরই ধারক-বাহক নেতার আনুগত্য প্রতিষ্ঠিত আছে, যার কারণে মানুষের জীবনে সুশাসন ও ন্যায় বিচার নাই, তাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈষম্য আর বৈষম্য। তাদের ন্যায্য অধিকার আদায় ও সংরক্ষণ হচ্ছে না। সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি সেক্টরে দুর্নীতি এবং দুর্নীতির কারণে সন্ত্রাস, উগ্রতা জঙ্গিতৎপরতাসহ বিভিন্ন ইস্যু কেন্দ্রিক মানবতা বিরোধী অপতৎপরতা মানুষের জীবনকে গ্রাস করেছে। ৩০ আগস্ট, ২০২৫ শনিবার, রাজধানীর উত্তরা আজমপুর বিডিআর বাজার সংলগ্নে ‘ইসলামী সমাজ’ ঢাকা মহানগর উত্তর এর দায়িত্বশীল, মিনহাজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত “আলকুরআন বিরোধী সংবিধান মূলোৎপাটন সমাবেশে” সংগঠনের আমীর সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, উগ্রতা ও জঙ্গিতৎপরতাসহ সকল মানবতা বিরোধী অপরাধ ও বৈষম্যমুক্ত ইনসাফ ভিত্তিক কল্যাণকর সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন করতে হলে গণতন্ত্র এবং আলকুরআন বিরোধী সকল প্রকার সংবিধানের মূলোৎপাটন করে সমাজ ও রাষ্ট্রে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর আইন-বিধান তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠা করতে হবে, এর কোন বিকল্প নাই । তিনি বলেন, গণতন্ত্রের অধীনে নির্বাচন, গণআন্দোলন কিংবা সশস্ত্র লড়াই ইত্যাদি কোনটাই ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা লাভের জন্য কুরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক- আল্লাহর নির্দেশিত এবং তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতি নয়। এসব পদ্ধতির যে কোন পদ্ধতি গ্রহণ করলে আল্লাহর সাথে কুফর এবং শির্ক করা হয়, যার পরিণতি দুনিয়ার জীবনে অকল্যাণ, আশান্তি এবং আখিরাতের জীবনে মহাক্ষতি। গণতন্ত্রের অধীনে জোট, ভোট ও নির্বাচন এবং এসবকে সমর্থন করলে ঈমান ও আমল সবই বিনষ্ট হয়ে যায় একথার উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রের নির্বাচনের মাধ্যমে কখনও ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠিত হবে না, গণন্ত্রের নির্বাচন আর দরকার নেই। গণতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের নির্বাচন ত্যাগ করে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতি ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার সহিহ আন্দোলন ‘ইসলামী সমাজ’ এ শামিল হওয়ার জন্য সকলকে তিনি আহ্বান জানান । সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, দুনিয়ার জীবনে কল্যাণ ও শান্তি এবং আখিরাতের জীবনে মহাক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়ে চূড়ান্ত সফলতা লাভ করতে হলে আলকুরআন বিরোধী সংবিধান পরিত্যাগ করে সমাজ ও রাষ্ট্রসহ জীবনের সকল ক্ষেত্রে ইসলাম গ্রহণ করে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার ঈমানী, নৈতিক ও মানবকি দায়িত্ব পালন করতেই হবে। তিনি বলেন, সকল মানুষের সার্বিক কল্যাণে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) প্রদর্শিত পদ্ধতিতে’ই ‘ইসলামী সমাজ’ ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সকলকে তিনি গণতন্ত্রসহ ইসলাম ও মানবতা বিরোধী সকল ব্যবস্থা ত্যাগ করে সমাজ ও রাষ্ট্রে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠায় আল্লাহরই সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আন্তরিক আহ্বান জানান । ‘ইসলামী সমাজ’ ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-৩ এর দায়িত্বশীল, মোঃ সেলিম মোল্লা’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন- ‘ইসলামী সমাজ’ ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-১ এর দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-২ এর দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইয়াছিন, ময়মনসিংহ বিভাগের দায়িত্বশীল সোলায়মান কবীর, খুলনা বিভাগীয় অঞ্চল-১ এর দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ আলী জিন্নাহ্, রংপুর বিভাগের দায়িত্বশীল সাইফুল ইসলাম মিঠু, ঢাকা মহানগর উত্তর এর সহ:দায়িত্বশীল মোস্তফা জামিল সাদ ও শাহ মোঃ আবু জাফর প্রমুখ ৷