০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

খায়রুল আলম প্রিন্স এর নেতৃত্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওয়ামী পন্থী কর্মকর্তাদের গোপন বৈঠক

  • প্রকাশিত ১১:৫৮:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৪
  • ২৪৯ বার দেখা হয়েছে

গত ৫ আগষ্ট ২০২৪ ছাত্র জনতার রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকারের পতন হয় এবং ড. ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। স্বৈরাচারী সরকারের মন্ত্রী, এমপি সহ গুরুত্বপূর্ণ ও বিতর্কিত ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে মামলাসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহন করা হলেও তাদের অনুগত সরকারী কর্মকর্তা/ কর্মচারীরা এখনো বহাল তবিয়তে স্ব স্ব পদে বহাল রয়েছেন এবং সেখান থেকে বর্তমান সরকার বিরোধী বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষন উইং এর পরিচালক ও কৃষিবিদ ইনষ্টিটিউট এর মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির মহাসচিব কৃষিবিদ খায়রুল আলম প্রিন্স এর নেতৃত্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ও উপপরিচালক সমমানের প্রায় ৪০ জন কর্মকর্তা গত ২৪ আগষ্ট রাতে মিরপুরের একটি রেস্তোরায় গোপন বৈঠক করেছেন। সভায় অংশগ্রহনকারী কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন কন্দাল প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোখলেছুর রহমান, সাইট্রাস প্রকল্পের ফারুক হোসেন, বছরব্যাপী ফল উৎপাদন প্রকল্পের ড. মেহেদি মাসুদ, টিস্যু কালচার প্রকল্পের তালহা জোবায়ের মাশরুর, কাজুবাদাম প্রকল্পের শহিদুল ইসলাম, খামার যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের মোহাম্মদ শফিউদ্দিন, পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের বনি আমিন, ময়মনসিংহ প্রকল্পের জিয়াউর রহমান, সহ বেশ কয়েকজন প্রকল্প পরিচালক, উপপরিচালক (পার্সোনেল) আবদুল হাই, উপপরিচালক (লিসাসা) শহিদুল ইসলাম, উপপরিচালক (বালাইনাশক প্রশাসন) জাহাঙ্গীর আলম, ঢাকা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক আহসানুল বাসার, কৃষি তথ্য সার্ভিসের পরিচালক সুরজিৎ সাহা, এডিডি-২, এডিডি (লিসাসা) সহ খামারবাড়ি ও বিভিন্ন জেলার আওয়ামী কর্মকর্তাগন। এরা সকলেই ৪ ঠা আগষ্টের শান্তি মিছিলে অংশগ্রহন করেছিলেন। বৈঠকে পতিত স্বৈরাচারী সরকারের দোসররা বর্তমান সরকারকে জনগনের কাছে অজনপ্রিয় করার জন্য বেশ কিছু কর্মসূচী গ্রহন করছেন।

কৃষি সেক্টর সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর। এই সেক্টরে সমস্যা তৈরী হলে দেশের উৎপাদন ব্যহত হবে পাশাপাশি একটি বৃহৎ জনগোষ্টির মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করা সম্ভব হবে। কৃষি সেক্টরে কর্মরত আওয়ামী সরকারের দোসররা সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছে। সামনে আমন মৌসুম। এই মৌসুমে সার বিতরন সহ বিভিন্ন উপকরনে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সরকারকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্য নিয়ে আওয়ামী কর্মকর্তারা মাঠে নেমেছেন। যেহেতু ডিএই এর সকল গুরুত্বপূর্ণ পদে গত ৪ ঠা আগষ্ট ছাত্র জনতার আন্দোলনের সরাসরি বিরোধীতাকারী আওয়ামী প্রেতাত্বারা বসে আছে, তারা যে কোন মূল্যে সরকারকে বিপদে ফেলার জন্য তৎপর। কৃষিবিদ খায়রুল আলম প্রিন্স এর নেতৃত্বে গোপন সভায় অংশগ্রহনকারী কর্মকর্তারা বিভিন্ন জেলার কর্মকর্তাদের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব প্রদান করেছেন। পাশাপাশি খায়রুল আলম প্রিন্স এর নেতৃত্বে সদর দপ্তরের কর্মকর্তারা এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালকগন প্রয়োজণীয় অর্থের যোগান দিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে কৃষকদের উস্কিয়ে দেয়ার কাজ করবে। এছাড়া ড. মেহেদি মাসুদকে জামাতের সাথে লিংক করার দায়িত্ব দেয়া হয়। মন্ত্রনালয় তাদের বিরুদ্ধে কোন কাজ করবেনা বলেও সভায় নিশ্চয়তা দেয়া হয়।

এমতাবস্থায় সরকার যদি অতি দ্রুত কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সদর দপ্তর সহ গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে ও প্রকল্প থেকে আওয়ামী পন্থী ও শান্তি মিছিলে অংশগ্রহনকারী কর্মকর্তাদের অপসারণ করা না হয় তাহলে যে কোন মূহর্তে সরকার বিপদে পরে যেতে পারে। তাই অনতিবিলম্বে এ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ নেয়া জরুরী।

Tag :

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

খায়রুল আলম প্রিন্স এর নেতৃত্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওয়ামী পন্থী কর্মকর্তাদের গোপন বৈঠক

প্রকাশিত ১১:৫৮:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৪

গত ৫ আগষ্ট ২০২৪ ছাত্র জনতার রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকারের পতন হয় এবং ড. ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। স্বৈরাচারী সরকারের মন্ত্রী, এমপি সহ গুরুত্বপূর্ণ ও বিতর্কিত ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে মামলাসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহন করা হলেও তাদের অনুগত সরকারী কর্মকর্তা/ কর্মচারীরা এখনো বহাল তবিয়তে স্ব স্ব পদে বহাল রয়েছেন এবং সেখান থেকে বর্তমান সরকার বিরোধী বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষন উইং এর পরিচালক ও কৃষিবিদ ইনষ্টিটিউট এর মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির মহাসচিব কৃষিবিদ খায়রুল আলম প্রিন্স এর নেতৃত্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ও উপপরিচালক সমমানের প্রায় ৪০ জন কর্মকর্তা গত ২৪ আগষ্ট রাতে মিরপুরের একটি রেস্তোরায় গোপন বৈঠক করেছেন। সভায় অংশগ্রহনকারী কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন কন্দাল প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোখলেছুর রহমান, সাইট্রাস প্রকল্পের ফারুক হোসেন, বছরব্যাপী ফল উৎপাদন প্রকল্পের ড. মেহেদি মাসুদ, টিস্যু কালচার প্রকল্পের তালহা জোবায়ের মাশরুর, কাজুবাদাম প্রকল্পের শহিদুল ইসলাম, খামার যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের মোহাম্মদ শফিউদ্দিন, পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের বনি আমিন, ময়মনসিংহ প্রকল্পের জিয়াউর রহমান, সহ বেশ কয়েকজন প্রকল্প পরিচালক, উপপরিচালক (পার্সোনেল) আবদুল হাই, উপপরিচালক (লিসাসা) শহিদুল ইসলাম, উপপরিচালক (বালাইনাশক প্রশাসন) জাহাঙ্গীর আলম, ঢাকা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক আহসানুল বাসার, কৃষি তথ্য সার্ভিসের পরিচালক সুরজিৎ সাহা, এডিডি-২, এডিডি (লিসাসা) সহ খামারবাড়ি ও বিভিন্ন জেলার আওয়ামী কর্মকর্তাগন। এরা সকলেই ৪ ঠা আগষ্টের শান্তি মিছিলে অংশগ্রহন করেছিলেন। বৈঠকে পতিত স্বৈরাচারী সরকারের দোসররা বর্তমান সরকারকে জনগনের কাছে অজনপ্রিয় করার জন্য বেশ কিছু কর্মসূচী গ্রহন করছেন।

কৃষি সেক্টর সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর। এই সেক্টরে সমস্যা তৈরী হলে দেশের উৎপাদন ব্যহত হবে পাশাপাশি একটি বৃহৎ জনগোষ্টির মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করা সম্ভব হবে। কৃষি সেক্টরে কর্মরত আওয়ামী সরকারের দোসররা সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছে। সামনে আমন মৌসুম। এই মৌসুমে সার বিতরন সহ বিভিন্ন উপকরনে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সরকারকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্য নিয়ে আওয়ামী কর্মকর্তারা মাঠে নেমেছেন। যেহেতু ডিএই এর সকল গুরুত্বপূর্ণ পদে গত ৪ ঠা আগষ্ট ছাত্র জনতার আন্দোলনের সরাসরি বিরোধীতাকারী আওয়ামী প্রেতাত্বারা বসে আছে, তারা যে কোন মূল্যে সরকারকে বিপদে ফেলার জন্য তৎপর। কৃষিবিদ খায়রুল আলম প্রিন্স এর নেতৃত্বে গোপন সভায় অংশগ্রহনকারী কর্মকর্তারা বিভিন্ন জেলার কর্মকর্তাদের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব প্রদান করেছেন। পাশাপাশি খায়রুল আলম প্রিন্স এর নেতৃত্বে সদর দপ্তরের কর্মকর্তারা এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালকগন প্রয়োজণীয় অর্থের যোগান দিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে কৃষকদের উস্কিয়ে দেয়ার কাজ করবে। এছাড়া ড. মেহেদি মাসুদকে জামাতের সাথে লিংক করার দায়িত্ব দেয়া হয়। মন্ত্রনালয় তাদের বিরুদ্ধে কোন কাজ করবেনা বলেও সভায় নিশ্চয়তা দেয়া হয়।

এমতাবস্থায় সরকার যদি অতি দ্রুত কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সদর দপ্তর সহ গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে ও প্রকল্প থেকে আওয়ামী পন্থী ও শান্তি মিছিলে অংশগ্রহনকারী কর্মকর্তাদের অপসারণ করা না হয় তাহলে যে কোন মূহর্তে সরকার বিপদে পরে যেতে পারে। তাই অনতিবিলম্বে এ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ নেয়া জরুরী।