১০:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তাওহীদ হোসেন, কাপাসিয়া প্রতিনিধি,গাজীপুর :

কাপাসিয়ায় নিখোঁজের ১৬ ঘন্টা পর মিলল শিশু সাফাতের মৃতদেহ

  • প্রকাশিত ১১:০৮:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫
  • ৫১ বার দেখা হয়েছে

মোঃ সাজিত আহমেদ সাফাত বঙ্গতাজ প্রি-ক্যাডেট একাডেমিতে চলতি বছরে নার্সারি শ্রেণীতে ভর্তি হয়েছে বয়স মাত্র ৬ বছর। ৬ বছর বসয়েই পাষাণের হাতে প্রাণ দিত হল তাকে।নানা বাড়ি বেড়াতে গিয়ে ২৮ জানুয়ারি দুপুর ১টার দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় সাফাত। নিখোঁজের ১ দিন পূর্বই স্কুলের ক্রিড়া প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করে ২টি প্রতিযোগীতায় ১ম ও ২য় হয় সে। কিন্তু জীবনের প্রথম পুরষ্কার হাতে নেওয়ার পূর্বেই পাষন্ড কেড়ে নিল তার জীবন। প্রবাসি বাবার আদর পাওয়াই হলোনা শিশু সাফাতের।
ঘটনাটি কাপাসিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাপাসিয়া মধ্য পাড়া গ্রামে। নিহত সাফাত দস্যুনারায়নপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসি মোঃ সোহাগ হোসেনের পুত্র।
জানা যায়, গত ২৮ জানুয়ারি বেলা ১ টার দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় সাফাত। চার দিকে খোজাখুজির পর সাফাতকে পাওয়া না গেলে আশেপাশের গ্রামে মাইকিং করা হয়। এ ব্যাপারে রাতে তার মা শান্ত মনি কাপাসিয়া থানার একটি সাধারন ডাইরি করেন। পুলিশ ও আত্মীয় স্বজন অনেক খোঁজা খুঁজি করেও পায়নি সাফাতকে। ২৯ জানুয়ারি ৬ টার দিকে তার নানার বাড়ি থেকে প্রায় ১ শত মিটার দূরে পাওয়া যায় তার মরদেহ।
সাফাতের নানা মোঃ মজিবুর রহমান জানান,জন্মের পর থেকে আমার নাতি আমার বাড়িতেই বেশি থাকত। আমার সঙ্গে প্রায় দিনই সে দোকানে যেত। গতকালও (২৮ জানুয়ারি) আমার সঙ্গে যেতে চাইছিল। আমি নিয়ে যাইনি। দোকানে যাওয়ার পরপরই আমাকে জানায় সাফাতকে কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না। চারিদিকে অনেক খুজেছি কোথাও পাইনি। সকালে নামায পড়ে বাড়িতে আসার পথেই কান্নাকাটির শব্দ শুনি।দৌড়ে গিয়ে দেখি আমার নাতির নিথর দেহ।
কান্নায় মুর্ছে যাওয়া সাফাতের মা শান্তা মনি কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, যে পাষন্ড আমার কলিজা ছিড়ে নিলো আমি তার ফাঁসি চাই।
কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ কামাল হোসেন জানান,গতকাল সাফাতের মা শান্তা মনি থানায় একটি সাধারন ডায়রি করেন। আজ সকালে সাফাতের লাশ পাওয়া যায়।লাশের সুরত হাল করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

তাওহীদ হোসেন, কাপাসিয়া প্রতিনিধি,গাজীপুর :

কাপাসিয়ায় নিখোঁজের ১৬ ঘন্টা পর মিলল শিশু সাফাতের মৃতদেহ

প্রকাশিত ১১:০৮:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫

মোঃ সাজিত আহমেদ সাফাত বঙ্গতাজ প্রি-ক্যাডেট একাডেমিতে চলতি বছরে নার্সারি শ্রেণীতে ভর্তি হয়েছে বয়স মাত্র ৬ বছর। ৬ বছর বসয়েই পাষাণের হাতে প্রাণ দিত হল তাকে।নানা বাড়ি বেড়াতে গিয়ে ২৮ জানুয়ারি দুপুর ১টার দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় সাফাত। নিখোঁজের ১ দিন পূর্বই স্কুলের ক্রিড়া প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করে ২টি প্রতিযোগীতায় ১ম ও ২য় হয় সে। কিন্তু জীবনের প্রথম পুরষ্কার হাতে নেওয়ার পূর্বেই পাষন্ড কেড়ে নিল তার জীবন। প্রবাসি বাবার আদর পাওয়াই হলোনা শিশু সাফাতের।
ঘটনাটি কাপাসিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাপাসিয়া মধ্য পাড়া গ্রামে। নিহত সাফাত দস্যুনারায়নপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসি মোঃ সোহাগ হোসেনের পুত্র।
জানা যায়, গত ২৮ জানুয়ারি বেলা ১ টার দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় সাফাত। চার দিকে খোজাখুজির পর সাফাতকে পাওয়া না গেলে আশেপাশের গ্রামে মাইকিং করা হয়। এ ব্যাপারে রাতে তার মা শান্ত মনি কাপাসিয়া থানার একটি সাধারন ডাইরি করেন। পুলিশ ও আত্মীয় স্বজন অনেক খোঁজা খুঁজি করেও পায়নি সাফাতকে। ২৯ জানুয়ারি ৬ টার দিকে তার নানার বাড়ি থেকে প্রায় ১ শত মিটার দূরে পাওয়া যায় তার মরদেহ।
সাফাতের নানা মোঃ মজিবুর রহমান জানান,জন্মের পর থেকে আমার নাতি আমার বাড়িতেই বেশি থাকত। আমার সঙ্গে প্রায় দিনই সে দোকানে যেত। গতকালও (২৮ জানুয়ারি) আমার সঙ্গে যেতে চাইছিল। আমি নিয়ে যাইনি। দোকানে যাওয়ার পরপরই আমাকে জানায় সাফাতকে কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না। চারিদিকে অনেক খুজেছি কোথাও পাইনি। সকালে নামায পড়ে বাড়িতে আসার পথেই কান্নাকাটির শব্দ শুনি।দৌড়ে গিয়ে দেখি আমার নাতির নিথর দেহ।
কান্নায় মুর্ছে যাওয়া সাফাতের মা শান্তা মনি কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, যে পাষন্ড আমার কলিজা ছিড়ে নিলো আমি তার ফাঁসি চাই।
কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ কামাল হোসেন জানান,গতকাল সাফাতের মা শান্তা মনি থানায় একটি সাধারন ডায়রি করেন। আজ সকালে সাফাতের লাশ পাওয়া যায়।লাশের সুরত হাল করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।