০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ওয়ার্কশপ পল্লিতে আগুন, ঘটে গেলো স্মরণ কালের ভয়াবহ অগ্নি দুর্ঘটনা-

  • প্রকাশিত ০৬:২১:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৫৯ বার দেখা হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক মোঃ আল আমিনঃ- রাজধানীর খিলগাঁও থানাধীন তালতলা রোডে অবস্থিত ওয়ার্কশপ পল্লিতে ২১.০২.২০২৪ ইং আনুমানিক রাত ৮ ঘটিকায় আগুন লাগে, প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানমতে প্রথমে আগুনের শিখা দেখতে পান মেইনগেট সংলগ্ন একটি স’ মিল ও তার পাশে রাবারের দোকান এর মাঝ থেকে সঙ্গে সঙ্গে আসপাশের লোকজন আগুন লাগা স্থানে বালু মারা শুরু করেন কিন্তু কোন কাজ হয় নি,ওই সময় ওয়ার্কশপ পল্লিতে কোন ওয়ার্কশপ ই খোলা ছিলো না এবং কেউ উপস্থিত ছিলেন না তার কারন শুক্রবার বাংলাদেশ অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির সাধারণ সভা-২০২৪ এর অনুষ্ঠান চলছিলো, যেহেতু এজিএম ছিলো সকল ওয়ার্কশপ মালিকদের উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি ছিলো,অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় সংবাদ আসে যে খিলগাঁও ওয়ার্কশপ পল্লিতে আগুন লেগেছে এরপর সাথে সাথে বাংলাদেশ অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ সমস্ত প্রোগ্রাম বন্ধ করে দিয়ে খিলগাঁও এর উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই বিভিন্ন থানা কমিটি আঞ্চলিক কমিটি ও জেলা কমিটির সবাই ঘটনাস্থলে অবস্থান করেন এর মধ্যেই ঘটে যায় অনাকাঙ্ক্ষিত সেই ভয়ানক অগ্নি দুর্ঘটনা প্রত্যক্ষ দর্শীদের ভাষ্যমতে জানা যায় প্রথমে যে যায়গাটিতে আগুন লাগে তারপর ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে আগুন লাগার প্রায় ৪৫ মিনিট পর ফায়ার সার্ভিসে গাড়ি এসে পৌছায় এবং প্রথমে এক গাড়ি আসে, আগুন নিভানোর জন্য পানি দেওয়া শুরু করলে পানির প্রেশারে রাবারের দোকান থেকে আগুনের ফুলকি বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পরে এরমধ্যে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ির পানির ট্যাংকের পানি শেষ হয়ে যায় এরপর ২য় গাড়ি পানি আসতে আসতে রাবারের দোকানের পাশের ওয়ার্কশপে আগুন ছড়িয়ে যায় ও প্রথমে একটি গাড়িতে আগুন লাগে এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা যখন দ্বিতীয় গাড়ি থেকে পানি দেওয়া শুরু করে ততক্ষণে যে গাড়িটিতে আগুন লাগে সেই গাড়ির সিএনজি সিলিন্ডার বিষ্ফোরিত হয় এবং সাথে সাথে পাশে থাকা আরও গাড়ি গুলোতে আগুন লেগে যায় একের পর গ্যাস সিলিন্ডার বিষ্ফোরিত হতে থাকে যা বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল গুলোতে দেখা গিয়েছে এরপর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সরে আসেন নিরাপদ স্থানে আরেকজন প্রত্যক্ষদর্শীর কথায় জানা যায় ফায়ার সার্ভিসের যে পাইপটি দিয়ে পানি দেওয়া হচ্ছিলো সেই পাইপটিও নাকি ছিলো বিভিন্ন জায়গায় ফাটা যার কারনে পানি লিকেজ হচ্ছিলো, স্থানীয় লোকজনের ভাষ্যমতে এখানে ফায়ার সার্ভিসের অদক্ষতা স্পষ্ট ভাবে পরিলক্ষিত হয়েছে। ওয়ার্কশপ পল্লিটিতে মোট ১৪ টি ওয়ার্কশপ ছিলো এবং একটি ওয়ার্কশপ ছাড়া একে একে সব গুলো প্রতিষ্ঠান মাটির সাথে মিশে যায়, আগুনের ভয়াবহতা ও সিলিন্ডার বিষ্ফোরন এতটাই ভয়ংকর ছিলো যে আশপাশের অঞ্চলগুলো পর্যন্ত কেপে উঠেছিলো। এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন জনাব মাসুম সিকদার তিনি ওই অঞ্চলের ৫ থানার(খিলগাঁও,শাহজাহানপুর,সবুজবাগ,মুগদা ও রাম্পুরা) সমন্বয়ে গঠিত ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির সভাপতি, উনার ওয়ার্কশপে জীপ ও প্রাইভেট কার মিলে গাড়ি ছিলো ৬টি ও মোটরসাইকেল ছিলো ২টি এছাড়াও অন্যান্য মালামাল সহ ক্ষতির পরিমান দাঁড়ায় প্রায় “এক কোটি আঠারো লাখ বাষট্টি হাজার” টাকা মাসুম সিকদার ছাড়াও অন্যান্য যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মোঃ জালাল আহমেদ (জালাল মটর ওয়ার্ক্স) ক্ষতির পরিমান প্রায় ১৩,৫৫০০০/-(তের লক্ষ পঞ্চান্ন হাজার), মোঃ আনোয়ার হোসেন (আনোয়ার মোটরস) ক্ষতির পরিমান প্রায় ৩৩,৪৩০০০/-(তেত্রিশ লাখ তেতাল্লিশ হাজার), মোঃ স্বপন (বিসমিল্লাহ অটোমোবাইলস) ক্ষতির পরিমান ৩১,৬৫০০০/-(একত্রিশ লাখ পয়ষট্টি হাজার), মোঃ ফারুক (ফারুক অটোমোবাইলস) ক্ষতির পরিমান ৬৭,৩০,০০০/-(সাতষট্টি লাখ ত্রিশ হাজার), মোঃ রেজাউল করিম আদু (নাদিম অটোমোবাইল ওয়ার্কস) ক্ষতির পরিমান ৪,৪৪,০০০/-(চার লাখ চুয়াল্লিশ হাজার), মিস শিরিনা আক্তার (মেসার্স হাকিম অটোমোবাইলস ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস) ক্ষতির পরিমান ৩,৩২,৭০,০০০/-(তিন কোটি বত্রিশ লাখ সত্তর হাজার), মোঃ দেলোয়ার হোসেন (মালঞ্চ অটোমোবাইল) ক্ষতির পরিমান ৪৮,০৫,০০০/-(আট চল্লিশ লাখ পাচ হাজার), মোঃ নাছির (নাছির অটো ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস) ক্ষতির পরিমান ১১,৪০,০০০/-(এগারো লাখ চল্লিশ হাজার), মোঃ শাহ আলম (শাহ আলম অটো ইলেক্ট্রিক) ক্ষতির পরিমান ১৪,৭৭,০০০/-(চোদ্দ লাখ সাতাত্তর হাজার), মোঃ মিরাজ (আল-রাজী অটোমোবাইলস) ক্ষতির পরিমান ২০,৮৫,০০০/-(বিশ লাখ পঁচাশি হাজার), মোঃ শাহ সুলতান মিয়া (মেসার্স নর্থ বেঙ্গল অটোমোবাইলস) ক্ষতির পরিমান ১৫,৯১,৩০০/-(পনের লাখ একানব্বই হাজার তিনশত) এখানে ক্ষতিগ্রস্ত সকল ওয়ার্কশপ মালিকদের মোট ক্ষতির পরিমান দাঁড়ায় প্রায় ৬ কোটি ৫২ লাখ ১০ হাজার ৩ শত টাকা। এই অগ্নিকান্ডে সব কিছু হারিয়ে সকল ব্যবসায়ী একেবারে নিঃস্ব হয়ে গিয়েছেন এর মধ্যে যাদের গাড়ি পুড়েছে সেই গাড়ির মালিকগন প্রেশার দিচ্ছেন তাদের ক্ষতি পুরন দেওয়ার জন্য, এ যেনো মরার উপর খারার ঘা, শুধুমাত্র মালিকরা বিপদে পড়েছেন তা নয় প্রতিটি ওয়ার্কশপে কর্মরত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর চোখে চিন্তার ছাপ সামনে রামাদান মাস ও ঈদ এর মধ্যে কাজ করবে সেই অবস্থা ও নেই কারন ওয়ার্কশপ পল্লির পুরো স্ট্রাকচার টাই মাটির সাথে বিলিন হয়ে গেছে, গাড়ি, বিভিন্ন রকল টুলস ও যন্ত্রপাতি, নগদ অর্থ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। এতবড় একটা দুর্ঘটনায় সরকারের তরফ থেকে এখন পর্যন্ত কেউ এগিয়ে আসেনি অথচ এই ওয়ার্কশপ মালিকরাই গাড়ির চাকা সচল রাখেন ও দেশের অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রাখছেন সরকারের সকল দিক নির্দেশনা মেনেই ব্যবসা করছেন এর পরেও সরকারের কোন সু নজর এখন পর্যন্ত এই সেক্টরে পড়েনি, অগ্নিকাণ্ডের দিন থেকে এখন পর্যন্ত দফায় দফায় বাংলাদেশ অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ সহ ভাটারা থানা, মহাখালী থানা, উত্তরা, মিরপুর, তেজগাঁও, মতিঝিল, পল্টন, বাড্ডা, রাম্পুরা,মুগদা, ও ঢাকার অন্যান্য থানা সহ যশোর জেলা,গাজীপুর জেলা,খুলনা জেলা, বগুড়া সহ অন্যান্য জেলার নেতৃবৃন্দ গিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের শান্তনা জানাচ্ছেন ও যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন, এছাড়াও এই সংগঠন এর উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে জানা যায় তারা সরকারের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন, এই ক্ষতিগ্রস্ত ওয়ার্কশপ মালিকদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থায় পাশে এসে দাড়ানোর আহবান জানিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত মালিকরা দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা’র মাধ্যমে সরকারের নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন, মালিকরা বলছেন তাদের এই বিপদের দিনে সরকারই একমাত্র ভরসা, সরকার ই পারেন তাদের কে আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে।

Tag :

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

ওয়ার্কশপ পল্লিতে আগুন, ঘটে গেলো স্মরণ কালের ভয়াবহ অগ্নি দুর্ঘটনা-

প্রকাশিত ০৬:২১:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

নিজস্ব প্রতিবেদক মোঃ আল আমিনঃ- রাজধানীর খিলগাঁও থানাধীন তালতলা রোডে অবস্থিত ওয়ার্কশপ পল্লিতে ২১.০২.২০২৪ ইং আনুমানিক রাত ৮ ঘটিকায় আগুন লাগে, প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানমতে প্রথমে আগুনের শিখা দেখতে পান মেইনগেট সংলগ্ন একটি স’ মিল ও তার পাশে রাবারের দোকান এর মাঝ থেকে সঙ্গে সঙ্গে আসপাশের লোকজন আগুন লাগা স্থানে বালু মারা শুরু করেন কিন্তু কোন কাজ হয় নি,ওই সময় ওয়ার্কশপ পল্লিতে কোন ওয়ার্কশপ ই খোলা ছিলো না এবং কেউ উপস্থিত ছিলেন না তার কারন শুক্রবার বাংলাদেশ অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির সাধারণ সভা-২০২৪ এর অনুষ্ঠান চলছিলো, যেহেতু এজিএম ছিলো সকল ওয়ার্কশপ মালিকদের উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি ছিলো,অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় সংবাদ আসে যে খিলগাঁও ওয়ার্কশপ পল্লিতে আগুন লেগেছে এরপর সাথে সাথে বাংলাদেশ অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ সমস্ত প্রোগ্রাম বন্ধ করে দিয়ে খিলগাঁও এর উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই বিভিন্ন থানা কমিটি আঞ্চলিক কমিটি ও জেলা কমিটির সবাই ঘটনাস্থলে অবস্থান করেন এর মধ্যেই ঘটে যায় অনাকাঙ্ক্ষিত সেই ভয়ানক অগ্নি দুর্ঘটনা প্রত্যক্ষ দর্শীদের ভাষ্যমতে জানা যায় প্রথমে যে যায়গাটিতে আগুন লাগে তারপর ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে আগুন লাগার প্রায় ৪৫ মিনিট পর ফায়ার সার্ভিসে গাড়ি এসে পৌছায় এবং প্রথমে এক গাড়ি আসে, আগুন নিভানোর জন্য পানি দেওয়া শুরু করলে পানির প্রেশারে রাবারের দোকান থেকে আগুনের ফুলকি বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পরে এরমধ্যে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ির পানির ট্যাংকের পানি শেষ হয়ে যায় এরপর ২য় গাড়ি পানি আসতে আসতে রাবারের দোকানের পাশের ওয়ার্কশপে আগুন ছড়িয়ে যায় ও প্রথমে একটি গাড়িতে আগুন লাগে এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা যখন দ্বিতীয় গাড়ি থেকে পানি দেওয়া শুরু করে ততক্ষণে যে গাড়িটিতে আগুন লাগে সেই গাড়ির সিএনজি সিলিন্ডার বিষ্ফোরিত হয় এবং সাথে সাথে পাশে থাকা আরও গাড়ি গুলোতে আগুন লেগে যায় একের পর গ্যাস সিলিন্ডার বিষ্ফোরিত হতে থাকে যা বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল গুলোতে দেখা গিয়েছে এরপর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সরে আসেন নিরাপদ স্থানে আরেকজন প্রত্যক্ষদর্শীর কথায় জানা যায় ফায়ার সার্ভিসের যে পাইপটি দিয়ে পানি দেওয়া হচ্ছিলো সেই পাইপটিও নাকি ছিলো বিভিন্ন জায়গায় ফাটা যার কারনে পানি লিকেজ হচ্ছিলো, স্থানীয় লোকজনের ভাষ্যমতে এখানে ফায়ার সার্ভিসের অদক্ষতা স্পষ্ট ভাবে পরিলক্ষিত হয়েছে। ওয়ার্কশপ পল্লিটিতে মোট ১৪ টি ওয়ার্কশপ ছিলো এবং একটি ওয়ার্কশপ ছাড়া একে একে সব গুলো প্রতিষ্ঠান মাটির সাথে মিশে যায়, আগুনের ভয়াবহতা ও সিলিন্ডার বিষ্ফোরন এতটাই ভয়ংকর ছিলো যে আশপাশের অঞ্চলগুলো পর্যন্ত কেপে উঠেছিলো। এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন জনাব মাসুম সিকদার তিনি ওই অঞ্চলের ৫ থানার(খিলগাঁও,শাহজাহানপুর,সবুজবাগ,মুগদা ও রাম্পুরা) সমন্বয়ে গঠিত ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির সভাপতি, উনার ওয়ার্কশপে জীপ ও প্রাইভেট কার মিলে গাড়ি ছিলো ৬টি ও মোটরসাইকেল ছিলো ২টি এছাড়াও অন্যান্য মালামাল সহ ক্ষতির পরিমান দাঁড়ায় প্রায় “এক কোটি আঠারো লাখ বাষট্টি হাজার” টাকা মাসুম সিকদার ছাড়াও অন্যান্য যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মোঃ জালাল আহমেদ (জালাল মটর ওয়ার্ক্স) ক্ষতির পরিমান প্রায় ১৩,৫৫০০০/-(তের লক্ষ পঞ্চান্ন হাজার), মোঃ আনোয়ার হোসেন (আনোয়ার মোটরস) ক্ষতির পরিমান প্রায় ৩৩,৪৩০০০/-(তেত্রিশ লাখ তেতাল্লিশ হাজার), মোঃ স্বপন (বিসমিল্লাহ অটোমোবাইলস) ক্ষতির পরিমান ৩১,৬৫০০০/-(একত্রিশ লাখ পয়ষট্টি হাজার), মোঃ ফারুক (ফারুক অটোমোবাইলস) ক্ষতির পরিমান ৬৭,৩০,০০০/-(সাতষট্টি লাখ ত্রিশ হাজার), মোঃ রেজাউল করিম আদু (নাদিম অটোমোবাইল ওয়ার্কস) ক্ষতির পরিমান ৪,৪৪,০০০/-(চার লাখ চুয়াল্লিশ হাজার), মিস শিরিনা আক্তার (মেসার্স হাকিম অটোমোবাইলস ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস) ক্ষতির পরিমান ৩,৩২,৭০,০০০/-(তিন কোটি বত্রিশ লাখ সত্তর হাজার), মোঃ দেলোয়ার হোসেন (মালঞ্চ অটোমোবাইল) ক্ষতির পরিমান ৪৮,০৫,০০০/-(আট চল্লিশ লাখ পাচ হাজার), মোঃ নাছির (নাছির অটো ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস) ক্ষতির পরিমান ১১,৪০,০০০/-(এগারো লাখ চল্লিশ হাজার), মোঃ শাহ আলম (শাহ আলম অটো ইলেক্ট্রিক) ক্ষতির পরিমান ১৪,৭৭,০০০/-(চোদ্দ লাখ সাতাত্তর হাজার), মোঃ মিরাজ (আল-রাজী অটোমোবাইলস) ক্ষতির পরিমান ২০,৮৫,০০০/-(বিশ লাখ পঁচাশি হাজার), মোঃ শাহ সুলতান মিয়া (মেসার্স নর্থ বেঙ্গল অটোমোবাইলস) ক্ষতির পরিমান ১৫,৯১,৩০০/-(পনের লাখ একানব্বই হাজার তিনশত) এখানে ক্ষতিগ্রস্ত সকল ওয়ার্কশপ মালিকদের মোট ক্ষতির পরিমান দাঁড়ায় প্রায় ৬ কোটি ৫২ লাখ ১০ হাজার ৩ শত টাকা। এই অগ্নিকান্ডে সব কিছু হারিয়ে সকল ব্যবসায়ী একেবারে নিঃস্ব হয়ে গিয়েছেন এর মধ্যে যাদের গাড়ি পুড়েছে সেই গাড়ির মালিকগন প্রেশার দিচ্ছেন তাদের ক্ষতি পুরন দেওয়ার জন্য, এ যেনো মরার উপর খারার ঘা, শুধুমাত্র মালিকরা বিপদে পড়েছেন তা নয় প্রতিটি ওয়ার্কশপে কর্মরত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর চোখে চিন্তার ছাপ সামনে রামাদান মাস ও ঈদ এর মধ্যে কাজ করবে সেই অবস্থা ও নেই কারন ওয়ার্কশপ পল্লির পুরো স্ট্রাকচার টাই মাটির সাথে বিলিন হয়ে গেছে, গাড়ি, বিভিন্ন রকল টুলস ও যন্ত্রপাতি, নগদ অর্থ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। এতবড় একটা দুর্ঘটনায় সরকারের তরফ থেকে এখন পর্যন্ত কেউ এগিয়ে আসেনি অথচ এই ওয়ার্কশপ মালিকরাই গাড়ির চাকা সচল রাখেন ও দেশের অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রাখছেন সরকারের সকল দিক নির্দেশনা মেনেই ব্যবসা করছেন এর পরেও সরকারের কোন সু নজর এখন পর্যন্ত এই সেক্টরে পড়েনি, অগ্নিকাণ্ডের দিন থেকে এখন পর্যন্ত দফায় দফায় বাংলাদেশ অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ সহ ভাটারা থানা, মহাখালী থানা, উত্তরা, মিরপুর, তেজগাঁও, মতিঝিল, পল্টন, বাড্ডা, রাম্পুরা,মুগদা, ও ঢাকার অন্যান্য থানা সহ যশোর জেলা,গাজীপুর জেলা,খুলনা জেলা, বগুড়া সহ অন্যান্য জেলার নেতৃবৃন্দ গিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের শান্তনা জানাচ্ছেন ও যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন, এছাড়াও এই সংগঠন এর উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে জানা যায় তারা সরকারের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন, এই ক্ষতিগ্রস্ত ওয়ার্কশপ মালিকদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থায় পাশে এসে দাড়ানোর আহবান জানিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত মালিকরা দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা’র মাধ্যমে সরকারের নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন, মালিকরা বলছেন তাদের এই বিপদের দিনে সরকারই একমাত্র ভরসা, সরকার ই পারেন তাদের কে আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে।