রাজশাহী আঞ্চলিক খাদ্য কার্যালয়ের কর্মকর্তা উপসহকারী প্রকৌশলী শেখ মো: মাহবুব হোসেন, পিতা শেখ মো : আনোয়ার হোসেন, বিভিন্ন দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার, জমি দখল, টেন্ডারবাজীর মাধ্যমে বাড়ি গাড়ি সহ প্রায় ৬০/৭০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। তিনি দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে আওয়ামী সরকারের পরিচয়ে ব্যাপক দুর্নীতি ও অপকর্ম করে আসছে। উল্লেখ্য আলাউদ্দিন কবীরের কাছ থেকে জমি বায়না করেন দুই মাসের জন্য কিন্তু ৬ মাস পার হয়ে গেলেও জমির সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ না করে সেই জমিতে সাইনবোর্ড লাগিয়ে জমি দখল করে নেয়। উপজেলার স্থানীয় প্রতিনিধি ডাকলেও তার ডাকে সাড়া দেয়নি। বর্তমানে এই সরকারি কর্মকর্তা আওয়ামী সরকারের পরিচয়ে কিভাবে নানামুখী ভয়াবহ দুর্নীতি ও অপকর্ম করে যাচ্ছে তা বোধগম্য নয়। স্থানীয় প্রশাসন কোন সুরাহ করতে পারেনি বিধায় উপসহকারী প্রকৌশলী শেখ মোঃ মাহবুব হোসেনের নামে দুর্নীতি দমন কমিশন বরাবরে একটি অভিযোগ করা হয়েছে। অবৈধভাবে জবরদখল ও প্রতারণা করে আসছে মাহবুব হোসেন। উল্লেখ্য রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলা দেওপাড়া মৌজা এস এ খতিয়ান ১০৩৫, আর এস খতিয়ান ৯৫৪,সাং ২১৬৫, জমির পরিমাণ ১,১৫০০ একর। শেখ মোঃ মাহবুব হোসেন দুই মাসের জন্য ক্রয় সূত্রে বায়না করে, আলাউদ্দিন কবীরের শশুরালয় থেকে প্রাপ্ত সম্পত্তি। বায়না হয়েছিল মার্চ মাসের ১১ তারিখ ২০২৪ সালে এবং বায়নার মেয়াদ ছিল ১০ মে ২০২৪ তারিখ। অক্টোবর মাস পার হতে চললেও জমির সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ না করে খমতার অপব্যবহার করে জমির চারদিকে নেট লাগিয়ে জমির মালিক কে হয়রানি করে আসছে। উক্ত ভুক্তভোগী মাহবুব হোসেনের অন্যায় অপকর্মকাণ্ডে দিশেহারা হয়ে ঢাকার খাদ্য ভবনের মহাপরিচালক ও প্রধান প্রকৌশলী দপ্তরে মাহাবুব হোসেনের বিরুদ্ধে মৌখিকভাবে অভিযোগ জানালেও এ বিষয়ে তারা কোন মীমাংসা করতে পারেনি। সে এতটা অস্বাভাবিক ক্ষমতাধর হিসেবে নিজেকে জাহির করার রহস্যটা কোথায় ?
১১:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম