নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ রাজধানী উত্তরার ৯ নং সেক্টর নাভানা সিএনজি এর পাশে অবস্থানাধীন একটি গাড়ি মেরামতকারী প্রতিষ্ঠান ভাই ভাই অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ এর মালিক দীর্ঘদিন যাবত অসুস্থ থাকায় ওয়ার্কশপটি পরিচালনা করছেন তার ছোট ভাই ও ম্যানেজার, গত ২৬ তারিখ ওয়ার্কশপ থেকে মোবাইল ফোন সহ ওয়ার্কশপের কিছু মালামাল চুরি হয় পরবর্তীতে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে চোরদের চিহ্নিত করা হয় ও পরিচিত মাধ্যমে তাদের ধরে আনা হয়, এলাকায় খোজ নিয়ে জানা যায় এরা প্রায়ই এই সমস্ত চুরির কাজ সহ নানা রকম নেশা করে থাকে। এলাকার স্থানীয়দের সহ চোরদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা চুরি করেছে বলে স্বিকারোক্তি পাওয়া যায় এবং চোর দুই জনের একজন রাসেল (২১) ও অপরজন সুজন(১৭) রাসেলের মা জিম্মা হয়ে ছেলের চুরি করা মোবাইলের জরিমানা বাবদ ৩৩ হাজার টাকা দিয়ে মুছ লেখা দিয়ে ছেলেকে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে রাসেল কে ছাড়িয়ে নিয়ে যান ও সুজনের গার্ডিয়ান না থাকায় শুরুতে উত্তরা আর্মি ক্যাম্পে ফোন দিলে তারা থানায় যোগাযোগের জন্য বলেন পরে উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে চোর সহ ওয়ার্কশপের মালিক পক্ষের ছোট ভাই ও ম্যানেজার কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায় পরবর্তীতে ওয়ার্কশপ মালিক পক্ষের লোকদের আটক রাখে এবং প্রকৃত চোর দের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানা যায়, এ বেপারে বাংলাদেশ অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ থানায় যোগাযোগ করলে জিজ্ঞাসা বাদের জন্য আটক রাখা হয় এবং জিজ্ঞাসা শেষে ছেড়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সবাইকে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করলে সবাই ফিরে আসেন ২৮/১০/২০২৪ ইং তারিখ সকালে থানায় যোগাযোগ করলে জানা যায় তাদের কোর্টে চালান করে দেওয়া হয়। আশপাশের ওয়ার্কাশপের মালিকদের সাথে কথা বলে জানা যায় উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি মোঃ হাফিজুর রহমান (পিপিএম-সেবা) মিথ্যা বানোয়াট মামলা দিয়ে তাদের কোর্টে চালান করে দেন, এতে সবাই ধারণা করছেন প্রকৃত অপরাধীদের নিকট হতে অনৈতিক লেনদেনে করেছেন। মামলার এজাহারে দেখানো হয় ওয়ার্কশপের মালিকদ্বয় তাদের রাসেল ও সুজন কে আটকে রেখে চাদা দাবি করেন ও মারধর করেন, কিন্তু সরেজমিনে কথা বলে ও সিসি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে জানা যায় ওয়ার্কশপ থেকে চুরির ঘটনা ১০০ ভাগ সত্য।