বৃহত্তর নোয়াখালী জনকল্যাণ সমিতি, মুগদার ক্যাশিয়ার কাজী জাহাঙ্গীর কবির বাবরের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগের অন্ত নেই। সমিতির ৩৯ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ এর খবর পত্রিকায় প্রকাশের পর, তার দূর্নীতির কাসুন্দি এখন মুগদার মানুষের মুখে মুখে। এর রেশ না কাটতেই ধুরন্ধর বাবর কৌশলে দূর্নীতির নতুন ফন্দি এঁটেছেন। তার দূর্নীতির সঙ্গী, সাথী একাধিক ব্যক্তি রয়েছেন। এবার বাবর ইফতারের নামে ফের চাঁদবাজির কৌশল নিয়েছেন। ইফতার পার্টির নামে বাবর আগেও লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদা তুলে মেরে দিয়েছেন। কথিত সমিতির কোনো হালনাগাদ সদস্য নেই। কমিটিও নেই। ৩ জেলার সমন্বয় গঠিত সীমিত কার্যকরী কমিটির সদস্য সংখ্যা ৩ জন। তারাই সব।তারাই কর্তা। ৩ জন নিয়ে সমিতি বাংলাদেশের কোথাও নাই! তাদেরকে কে কবে কর্মকর্তা বানিয়েছে তারও হদিস নেই। সমিতি / সোসাইটি আইনে তাদের কর্মকান্ড অবৈধ নয় শুধু ফৌজদারী অপরাধও বটে। মুগদায় বসবাসরত বৃহত্তর নোয়াখালীর বেশ কয়েকজন ব্যক্তি তাদের এহেন অবৈধ কাজের কঠোর সমালোচনা করেছেন।
১০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম