০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শেখ মো : আসিফ হোসেন

আমি কত শোক নিয়ে বেঁচে আছি আমাকে দেখেন,প্রধানমন্ত্রীI

  • প্রকাশিত ১১:৪৯:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪
  • ২৬৬ বার দেখা হয়েছে

আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন ও মা মনোয়ারা বেগমসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় নিহতদের পরিবারের সঙ্গে গণভবনে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (২৮ জুলাই) সকালে নিহতদের ৩৪ জন পরিবারের সদস্য গণভবনে আসেন। তাদের মধ্যে ছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের বাবা-মাও।

প্রধানমন্ত্রী নিহত স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজ নেন। অনেকে প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীও আবেগ সংবরণ করতে ব্যর্থ হন। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের কথা শুনে প্রধানমন্ত্রীর অশ্রু গড়িয়ে পড়ে। প্রধানমন্ত্রী তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন। অশ্রু সজল প্রধানমন্ত্রী তাদের সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, আমাকে দেখেন, আমি কত শোক নিয়ে বেঁচে আছি  এক রাতে বাবা-মা, ভাইসহ নিজের স্বজন হারানোর কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আপনাদের সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা নাই। আপনাদের কষ্ট আমি বুঝি। এ সময় গণভবনের ব্যাংকোয়েট হলে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশ সৃষ্টি হয়।    প্রধানমন্ত্রী ৩৪ জনের পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক সহায়তা হিসেবে পারিবারিক সঞ্চয়পত্র এবং নগদ অর্থ তুলে দেন। এ সময় গণভবনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

Tag :

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

শেখ মো : আসিফ হোসেন

আমি কত শোক নিয়ে বেঁচে আছি আমাকে দেখেন,প্রধানমন্ত্রীI

প্রকাশিত ১১:৪৯:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪

আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন ও মা মনোয়ারা বেগমসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় নিহতদের পরিবারের সঙ্গে গণভবনে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (২৮ জুলাই) সকালে নিহতদের ৩৪ জন পরিবারের সদস্য গণভবনে আসেন। তাদের মধ্যে ছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের বাবা-মাও।

প্রধানমন্ত্রী নিহত স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজ নেন। অনেকে প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীও আবেগ সংবরণ করতে ব্যর্থ হন। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের কথা শুনে প্রধানমন্ত্রীর অশ্রু গড়িয়ে পড়ে। প্রধানমন্ত্রী তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন। অশ্রু সজল প্রধানমন্ত্রী তাদের সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, আমাকে দেখেন, আমি কত শোক নিয়ে বেঁচে আছি  এক রাতে বাবা-মা, ভাইসহ নিজের স্বজন হারানোর কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আপনাদের সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা নাই। আপনাদের কষ্ট আমি বুঝি। এ সময় গণভবনের ব্যাংকোয়েট হলে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশ সৃষ্টি হয়।    প্রধানমন্ত্রী ৩৪ জনের পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক সহায়তা হিসেবে পারিবারিক সঞ্চয়পত্র এবং নগদ অর্থ তুলে দেন। এ সময় গণভবনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।