সুন্দর মুখশ্রী তবুও পরনিন্দায় প্রশান্তি’র শ্বাস!
বিবেক বুদ্ধি’তো পাইছে লোপ?
আহা’রে বিকৃত মন, তুই বড়ো অশান্তির কারণঃ
তোর বিচার নিশ্চয় করবে রব?
নরের চে’য়ে নারী জঘন্য!তার ম’নে হিংসা নিন্দার ঐকান্তিক ঝড়।
পারস্পরিক ঝগড়া বিভেদ মাত্রা জোগায় রাক্ষসী
কি আশ্চর্য! বারো হাত কাপড় ছেড়ে,এখন পরনে থ্রী পিচ।
তাও ভাবছি নহে কোন মন্দ;শুধুই সাজগোজেরই পরিবর্তন?
তুমি মায়ের জা*ত নিদানে সহধর্মিণী; একসময় ধর্মের নামে সহমরণ হতো
তোমার প্রসব বেদনায় সকল শিশুর জন্ম মা’গো
কোথায় নেই তোমার ক্ষমতা?
রূপের চেয়েও অনিন্দ্য হলে তবে বেশী মানানসই
ঘরে ঘরে ভাঙ্গনের ঢেউ?? তোর লোভের প্রাপ্তি হইলো দুনিয়া!
বাবা আদম খেইছে গন্দম! এখন সুখের খোঁজে সবাই উতলা ——-
কারে মেরে কে খায় রুদ্র ক্ষুধার তাড়না? ম’নে অ’পবিত্র আবরণ।
আমি বাপু ভাবনার গভীরতা শব্দের ব্যঞ্জনা সৃজা তির্যক বার্তায় কাব্য কথার কুশীলব
আমার কলম শব্দের বান ডেকে যায় তাই কিছু প্রশ্ন…নারী শান্তশিষ্ট হলে নর ভণ্ড সোজা চলে;
পরনিন্দা আর নয়? এই নিকৃষ্ট কাজ! আপনা পাপের হোকনা অনুভব।
পাপীর চেয়েও পাপকাজে করবো ঘৃণা? সুমতি দাও হে মহান স্রষ্টা——–