১০:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নিজস্ব প্রতিবেদক:

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিএনপির জন্য সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা : আলা

  • প্রকাশিত ০৩:২৫:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৩৪ বার দেখা হয়েছে

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেল আলাল বলেছেন,
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিএনপির জন্য সবচেয়ে বড় কঠিন পরীক্ষা সেই বিষয়টি সকল নেতাকর্মীদের মাথায় রেখে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন ‘ছাত্রদের নতুন দলকে আমরা স্বাগত জানাই। তারা আমাদের সাথে আন্দোলন সংগ্রাম করেছে, আমরা আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। আপনারা মানুষের কাছে যাবেন, মানুষ আপনাদের বিবেচনায় নিবে, এর পরবর্তী ফলাফলের অপেক্ষায় থাকতে হবে। তার আগে দয়া করে তুরি মেরে উড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করবেন না। বিএনপি তুরি মেরে উড়িয়ে দেয়ার দল না। বাংলাদেশের মানুষের অন্তরে বিএনপি’র শেকড় গেথে আছে। এই দলকে তুরি মেরে উড়িয়ে দেয়া সম্ভব হবে না।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পটুয়াখালী শহীদ আলাউদ্দিন শিশু পার্কে পটুয়াখালী জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং অনতিবিলম্বে জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবিতে কেন্দ্রীয় বিএনপি ঘোষিত পূর্বনির্ধারিত এই জনসমাবেশে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, “আজ সমাবেশে বিভিন্ন নেতার নামে আপনারা স্লোগান দিয়েছেন, পটুয়াখালীতে আমাদের দলের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী আছেন তিনি আজ এখানে উপস্থিত নেই । তবে দলের যে সিদ্ধান্ত আসবে, তার বাইরে গিয়ে কেউ হিরো হওয়ার চেষ্টা করবেন না। হিরো হতে গিয়ে জিরো হয়ে যাবেন।”

তিনি আরও বলেন, “আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনেক কঠিন হবে। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।”

বিএনপির কেন্দ্রীয় এই নেতা জানান, “বিএনপি বৃহৎ জনসমর্থনের একটি সংগঠন। এখানে কিছু দুষ্টু লোক থাকতেই পারে। তবে দলের অনৈতিক কার্যকলাপ রুখতে গত সাত মাসে দেড় হাজারের বেশি নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।”

সরকারের দমননীতি নিয়ে আলাল বলেন, “বিএনপির বহু নেতাকর্মী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। কুমিল্লায় যুবদলের এক কর্মী যৌথ বাহিনীর হাতে নিহত হলেও তারা কোনো প্রতিবাদ মিছিল করেননি। কারণ, এই সরকার ছাত্র-জনতার সমর্থনের সরকার। তাদের বিরক্ত করা বিএনপির উচিত হবে না, বরং সহযোগিতা করাই দায়িত্ব, যা আমরা করে যাচ্ছি।”

বিএনপি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, “যত বড় নেতা বা জনপ্রিয় ব্যক্তিই হই না কেন, যদি বিএনপির পরিচয় হারিয়ে যায়, তবে বাজারে আমাদের মূল্য ১০ টাকাও থাকবে না।”

পটুয়াখালী জেলা বিএনপির আহবায়ক আব্দুর রশিদ চুন্নু মিয়ার সভাপতিতে সমাবেশে অনান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপি প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশারেফ হোসেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মনির হোসেন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন, সাবেক সদস্য সদস্য শহিদুল আলম তালুকদার সহ পটুয়াখালী জেলা ও বিভিন্ন উপজেলা বিএনপির নেতারা বক্তব্য রাখেন।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সিনিয়র সদস্য মাকসুদ আহম্মেদ বায়েজিত (পান্ন) মিয়া, জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সৈয়দ মুস্তাফিজুর রহমান রুমি, সাবেক জেলা ছাত্রনেতা ও যুবনেতা তৌফিক আলী খান কবির, জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. আল-আমীন সুজন সহ বিএনপির সকল সহযোগী সংগঠনের ও সাধারণ শ্রেণী পেশার হাজার হাজার নেতাকর্মী।

Tag :

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিএনপির জন্য সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা : আলা

প্রকাশিত ০৩:২৫:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেল আলাল বলেছেন,
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিএনপির জন্য সবচেয়ে বড় কঠিন পরীক্ষা সেই বিষয়টি সকল নেতাকর্মীদের মাথায় রেখে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন ‘ছাত্রদের নতুন দলকে আমরা স্বাগত জানাই। তারা আমাদের সাথে আন্দোলন সংগ্রাম করেছে, আমরা আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। আপনারা মানুষের কাছে যাবেন, মানুষ আপনাদের বিবেচনায় নিবে, এর পরবর্তী ফলাফলের অপেক্ষায় থাকতে হবে। তার আগে দয়া করে তুরি মেরে উড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করবেন না। বিএনপি তুরি মেরে উড়িয়ে দেয়ার দল না। বাংলাদেশের মানুষের অন্তরে বিএনপি’র শেকড় গেথে আছে। এই দলকে তুরি মেরে উড়িয়ে দেয়া সম্ভব হবে না।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পটুয়াখালী শহীদ আলাউদ্দিন শিশু পার্কে পটুয়াখালী জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং অনতিবিলম্বে জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবিতে কেন্দ্রীয় বিএনপি ঘোষিত পূর্বনির্ধারিত এই জনসমাবেশে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, “আজ সমাবেশে বিভিন্ন নেতার নামে আপনারা স্লোগান দিয়েছেন, পটুয়াখালীতে আমাদের দলের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী আছেন তিনি আজ এখানে উপস্থিত নেই । তবে দলের যে সিদ্ধান্ত আসবে, তার বাইরে গিয়ে কেউ হিরো হওয়ার চেষ্টা করবেন না। হিরো হতে গিয়ে জিরো হয়ে যাবেন।”

তিনি আরও বলেন, “আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনেক কঠিন হবে। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।”

বিএনপির কেন্দ্রীয় এই নেতা জানান, “বিএনপি বৃহৎ জনসমর্থনের একটি সংগঠন। এখানে কিছু দুষ্টু লোক থাকতেই পারে। তবে দলের অনৈতিক কার্যকলাপ রুখতে গত সাত মাসে দেড় হাজারের বেশি নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।”

সরকারের দমননীতি নিয়ে আলাল বলেন, “বিএনপির বহু নেতাকর্মী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। কুমিল্লায় যুবদলের এক কর্মী যৌথ বাহিনীর হাতে নিহত হলেও তারা কোনো প্রতিবাদ মিছিল করেননি। কারণ, এই সরকার ছাত্র-জনতার সমর্থনের সরকার। তাদের বিরক্ত করা বিএনপির উচিত হবে না, বরং সহযোগিতা করাই দায়িত্ব, যা আমরা করে যাচ্ছি।”

বিএনপি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, “যত বড় নেতা বা জনপ্রিয় ব্যক্তিই হই না কেন, যদি বিএনপির পরিচয় হারিয়ে যায়, তবে বাজারে আমাদের মূল্য ১০ টাকাও থাকবে না।”

পটুয়াখালী জেলা বিএনপির আহবায়ক আব্দুর রশিদ চুন্নু মিয়ার সভাপতিতে সমাবেশে অনান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপি প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশারেফ হোসেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মনির হোসেন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন, সাবেক সদস্য সদস্য শহিদুল আলম তালুকদার সহ পটুয়াখালী জেলা ও বিভিন্ন উপজেলা বিএনপির নেতারা বক্তব্য রাখেন।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সিনিয়র সদস্য মাকসুদ আহম্মেদ বায়েজিত (পান্ন) মিয়া, জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সৈয়দ মুস্তাফিজুর রহমান রুমি, সাবেক জেলা ছাত্রনেতা ও যুবনেতা তৌফিক আলী খান কবির, জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. আল-আমীন সুজন সহ বিএনপির সকল সহযোগী সংগঠনের ও সাধারণ শ্রেণী পেশার হাজার হাজার নেতাকর্মী।