০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অর্থনীতির সমীকরণ

  • প্রকাশিত ০৭:৫৯:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪
  • ১১৩ বার দেখা হয়েছে

অন্তর্বর্তী সরকারের নিয়োগকৃত বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর আহসান এইচ মনসুর দায়িত্ব গ্রহনকালে বলেন “বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্হা যতটা খারাপ বলা হয়, ততটা খারাপ নয় বরং অনেক ভাল”। তাঁর স্পস্ট কথায় বোঝা গিয়েছিল বিদায়ী সরকার অর্থনীতি ধ্বংস ক’রে যায়নি। এখন ৩মাসের মাথায় রিজার্ভ সর্বনিন্ম, অর্থনীতি ধংস, দেশ দেওলিয়ার পথে কেন? এখনতো দরবেশ জেলবন্দী, শেয়ার বাজারের ৪০হাজার কোটির অধিক টাকা লুট করলো কারা ?

সদ্য বৃটিশ সংবাদ মাধ্যম ফিনান্সিয়াল টাইমস-কে গভর্ণর বলেছেন- “সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসন আমলে সরকারের দোসর ধনকুবেররা শক্তি শালী গোয়েন্দা সংস্হার সহায়তায় দেশের ব্যাংক খাত থেকে ১৭০০ কোটি ডলার বা ২ লাখ কোটি টাকা লুট ক’রেছে”। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্ণর সরকার বা কোন দলের নন, তিনি একটি প্রতিষ্ঠান।কোন অমূলক কথা বলতে পারেন না।

প্রশ্ন হ’লো কোন্ কোন্ ব্যাংক থেকে কত টাকা কিভাবে কারা লুট ক’রেছে? তিনি দায়িত্বশীল ব্যাক্তি, তদন্তের পূর্বেই গোয়েন্দা সংস্হার সহায়তায় লুট করার কথায় গন্ধ আছে। তদন্ত হ’য়ে থাকলে নাম উল্লেখ পূর্বক প্রতিবেদন প্রকাশ করুন, সে অনুযায়ী মামলা হোক, চিরতরে চোর ধ্বংসহোক। ধনকুবের বলতে তিনি যাদের বুঝিয়েছেন তারা কেহই শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্য নন। পি,এম নিজে, রেহানা, জয়, পুতুল তাঁরাযদি কেহ লুটক’রে থাকে তবে কে কিভাবে ক’রেছে সুনিদৃষ্ট তথ্য প্রকাশ ক’রে মামলা করুন। জাতির কাছে ধোঁয়াশা ক্লিয়ার হউক।

এতদিন প্রচার হ’তো-শেখ হাসিনা ও সরকার ৮৬লাখ কোটি টাকা লুট ও পাচার ক’রেছে, সেজন্যই তাঁকে অর্থ লুটের রানী, দুর্নীতিবাজ বলা হয়। গভর্ণরের কথায় নিমেশেই ৮৪ লাখ কোটি ভূয়া প্রমান হ’লো? শিক্ষিত আইকন আসিফ নজরুল স্যার যেমন ব’লেছিলেন- ২৬ লক্ষ ভারতীয় এদেশে চাকুরী করে, আর দেশের শিক্ষিতরা চাকুরী না পেয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘোরে।তিনি কি ভারতীয়দের খুজে পেয়েছেন?

Tag :

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

অর্থনীতির সমীকরণ

প্রকাশিত ০৭:৫৯:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪

অন্তর্বর্তী সরকারের নিয়োগকৃত বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর আহসান এইচ মনসুর দায়িত্ব গ্রহনকালে বলেন “বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্হা যতটা খারাপ বলা হয়, ততটা খারাপ নয় বরং অনেক ভাল”। তাঁর স্পস্ট কথায় বোঝা গিয়েছিল বিদায়ী সরকার অর্থনীতি ধ্বংস ক’রে যায়নি। এখন ৩মাসের মাথায় রিজার্ভ সর্বনিন্ম, অর্থনীতি ধংস, দেশ দেওলিয়ার পথে কেন? এখনতো দরবেশ জেলবন্দী, শেয়ার বাজারের ৪০হাজার কোটির অধিক টাকা লুট করলো কারা ?

সদ্য বৃটিশ সংবাদ মাধ্যম ফিনান্সিয়াল টাইমস-কে গভর্ণর বলেছেন- “সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসন আমলে সরকারের দোসর ধনকুবেররা শক্তি শালী গোয়েন্দা সংস্হার সহায়তায় দেশের ব্যাংক খাত থেকে ১৭০০ কোটি ডলার বা ২ লাখ কোটি টাকা লুট ক’রেছে”। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্ণর সরকার বা কোন দলের নন, তিনি একটি প্রতিষ্ঠান।কোন অমূলক কথা বলতে পারেন না।

প্রশ্ন হ’লো কোন্ কোন্ ব্যাংক থেকে কত টাকা কিভাবে কারা লুট ক’রেছে? তিনি দায়িত্বশীল ব্যাক্তি, তদন্তের পূর্বেই গোয়েন্দা সংস্হার সহায়তায় লুট করার কথায় গন্ধ আছে। তদন্ত হ’য়ে থাকলে নাম উল্লেখ পূর্বক প্রতিবেদন প্রকাশ করুন, সে অনুযায়ী মামলা হোক, চিরতরে চোর ধ্বংসহোক। ধনকুবের বলতে তিনি যাদের বুঝিয়েছেন তারা কেহই শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্য নন। পি,এম নিজে, রেহানা, জয়, পুতুল তাঁরাযদি কেহ লুটক’রে থাকে তবে কে কিভাবে ক’রেছে সুনিদৃষ্ট তথ্য প্রকাশ ক’রে মামলা করুন। জাতির কাছে ধোঁয়াশা ক্লিয়ার হউক।

এতদিন প্রচার হ’তো-শেখ হাসিনা ও সরকার ৮৬লাখ কোটি টাকা লুট ও পাচার ক’রেছে, সেজন্যই তাঁকে অর্থ লুটের রানী, দুর্নীতিবাজ বলা হয়। গভর্ণরের কথায় নিমেশেই ৮৪ লাখ কোটি ভূয়া প্রমান হ’লো? শিক্ষিত আইকন আসিফ নজরুল স্যার যেমন ব’লেছিলেন- ২৬ লক্ষ ভারতীয় এদেশে চাকুরী করে, আর দেশের শিক্ষিতরা চাকুরী না পেয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘোরে।তিনি কি ভারতীয়দের খুজে পেয়েছেন?